লো-কার্ব ডায়েট কি? কেন করে?

ডায়েট রাজ্যে লো-কার্ব খুবই জনপ্রিয় ও কার্যকরী একটি পদ্ধতি ।

লো-কার্ব ডায়েট কিঃ এই ডায়েটে কার্ব (কার্বহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার) খুবই সীমিত থাকে। অন্যদিকে প্রোটিন, ফ্যাট ও শাকসবজিতে প্রাধান্য অনেক বেশী থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে লো-কার্ব ডায়েট স্বাস্থ্যসম্মত এবং ওজন কমাতে খুবই কার্যকরী।অন্যান্য ডায়েটের তুলনায় লো-কার্ব দুই থেকে তিন গুণ বেশি কার্যকরী।এর তেমন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।যে কোন সুস্থ মানুষ লো-কার্ব করতে পারবে। এমনকি অনেক ঝুঁকি পূর্ণ রোগের থাকলেও লো-কার্ব ডায়েট করা যায়। যেমনঃ পিসিওএস, থাইরয়েড, ডায়াবেটস এর রোগীরা এই ডায়েট করতে পারেন।

লো-কার্ব যেভাবে কাজ করেঃ
প্রধানত দুই ভাবে এই ডায়েট করে ওজন কমে।
১. আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামক একটি হরমোন আছে  যার কাজ হচ্ছে শরীরে রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা । কার্ব কম খাওয়ার কারণে ইনসুলিন মাত্রা কমে যায়। ফলে কিডনি শরীরের অতিরিক্ত সোডিয়াম স্খলন করে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২. আমাদের শরীর গ্লাইকোজেন আকারে কার্ব জমিয়ে শরীরের  মাসল ও লিভারের পানি বেধে রাখে। লো-কার্ব ডায়েট যখন আমরা কার্ব কম খাই তখন গ্লাইকোজেন কমে যায় তাই পানিও কমে যায় এবং ওয়াটার ওয়েট হ্রাস পায়।

এই ডায়েটে খেতে হবেঃ মাছ, মাংস, ডিম, শাক সবজি,  বাদাম, ফল,হাই-ফ্যাট দুগ্ধজাতীয় খাবার যেমন চীজ,বাটার। অলিভ ওয়েল,ঘি,কোকনাট ওয়েল।

যেগুলো খাওয়া যাবেনাঃ চিনি, হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্সড ফুড, প্রোসেসড ফুডস (যেমন সফট-ড্রিঙ্কস বা কোমল পানীয়)।

টোটাল ফ্যাট % যেন মিল প্ল্যানের ৪৫-৫০% থেকে বেশি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

ম্যাক্রো রেশিও বা পুষ্টির অনুপাতঃ
কার্বঃ 25% 
প্রোটিনঃ 25%
ফ্যাটঃ 50%